
A forgotten princess
Have you ever wondered how history is often selective in celebrating someone and pushing another to oblivion? This blog is to bring one Mongol princess into the light from the darkness of time.


Have you ever wondered how history is often selective in celebrating someone and pushing another to oblivion? This blog is to bring one Mongol princess into the light from the darkness of time.

এই পর্বে হুয়াং পু গ্রামের কথা, যেখানে ছড়িয়ে রয়েছে পূর্বপুরুষদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য বানানো অজস্র মন্দির।

হুয়াং পু বন্দরের সাথে জড়িয়ে আছে ইতালিয়ান পর্যটক মার্কো পোলোর নাম। আর তার সঙ্গে থাকলো ইতিহাসে পার্শ্বচরিত্র হয়ে থেকে যাওয়া এক মঙ্গোল রাজকন্যার কথা।

এই লেখায় পরিচয় হবে পুরনো দিনের সেই বন্দর শহর ক্যান্টনের সাথে, আজকে যার নাম গুয়াংজু। আর সেই শহরের কেন্দ্রস্থলে, লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকা এক প্রাচীন জনপদের সাথে, ইতিহাসের পাতায় আজ যা বিস্মৃত।

সান ইয়াট-সেন ইউনিভার্সিটির South ক্যাম্পাসে ঢুকলে সবার আগে যেটা দৃষ্টি আকর্ষণ করে সেটা হল পুরনো যা কিছু তাকে সযত্নে আগলে রেখে নতুন কিছু করার চেষ্টা। তাই আজ সান ইয়াট-সেন ইউনিভার্সিটির South ক্যাম্পাস গুয়াংজুর দ্রষ্টব্য স্থানগুলোর মধ্যে একটা। এই পর্বে থাকলো ইতিহাসের গন্ধ মাখা এমন সাতটা জিনিসের কথা যা না দেখলে এই ক্যাম্পাস ভ্রমণ অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

এই দেশে কাটানো জীবনের বেশীর ভাগ সময়টা যেহেতু একলা, তাই বাড়িতে রান্না করে খাওয়া খুব একটা হয়ে ওঠেনি। তাই দুপুরের আর রাতের খাবারের জন্য ইউনিভার্সিটির যে জায়গায় আমাকে দিনে দু’বার করে যেতেই হতো, সেটার নাম ক্যান্টিন। এই পর্বে থাকলো সেই ক্যান্টিনের গল্প

বিগত একশো বছরে অনেক কিছু পাল্টেছে, কোন ক্ষেত্রে সম্প্রসারণ তো কোন দিকে সঙ্কোচন হয়েছে। আর তার সাথে রয়েছে নতুন ও পুরনোর নিয়মিত পরিচর্যা। কিন্তু সব পরিবর্তনই হয়েছে শতাব্দী প্রাচীন এই ক্যাম্পাসের আসল কাঠামোটাকে ধরে রেখে। আজকের পর্বে থাকলো সেই কাঠামোর ছোট্ট একটা বিবরণ

দক্ষিণ চীনে অবস্থিত দেশের এবং পৃথিবীর অন্যতম সেরা এক বিশ্ববিদ্যালয়ের অতীত আর বর্তমানের গল্প। দ্বিতীয় পর্বে থাকছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটা ক্যাম্পাসের কথা, তার ত্রি-স্তরীয় একাডেমিক গঠনের গল্প আর তার দেশবিদেশে খ্যাতির পরিসংখ্যান

২০১৮ সালে আমার চীন দেশে পদার্পণ। পরের পাঁচ বছরে আমার কর্মক্ষেত্রটাকে আরও ভালো করে চিনেছি, আরও বেশী করে ভালবেসেছি। জেনেছি তার একশো বছরেরও বেশী পুরনো ইতিহাস, উঁকি মেরেছি তার আজকের কাঠামোর ভেতরেও। এই লেখার পাঁচটা পর্বে থাকলো দক্ষিণ চীনে অবস্থিত দেশের এবং পৃথিবীর অন্যতম সেরা এক বিশ্ববিদ্যালয়ের অতীত আর বর্তমানের গল্প। আজ প্রথম পর্ব।

শেষ পর্বটা কোন নাটকীয়তায় ভরা নয়, শুধুমাত্র তিন বছর পর নিজের দেশের মাটিতে নামার তীব্র অনুভূতি ছাড়া। এই পর্বে একবার ফিরে দেখা সেই তিনটে মাসের দিকে, যে সময়টা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে, গড়ে তুলেছে আরও একটু ভালো মানুষ হিসেবে, আর উপহার দিয়েছে এমন কিছু সম্পর্ক যা আমার সারা জীবনের সম্পদ।